ইন্দোনেশিয়ায় বৃষ্টির জন্য দোয়ায় অংশ নিয়েছেন হাজারো মানুষ। শুক্রবার জুমা’র নামাজে'র পর গণ-দোয়ার আয়োজন করা হয়। কৃষিজমি ও শস্যক্ষেত পরি’ষ্কারের জন্য অবৈ’ধভাবে আ’গুন ধ’রানোর কারণে ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা এবং বোর্নো দ্বীপ ধোঁয়ায় ছেয়ে গেছে। এতে করে মা’রাত্মকভাবে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে।

বন-জঙ্গলে আ’গুন ছ’ড়িয়ে পড়ায় প’রিস্থিতি নি’য়ন্ত্রণে কাজ করে যাচ্ছে দমকলবা’হিনী। হেলিকপ্টার থেকেও পানি দিয়ে আ’গুন নেভানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। কয়েকদিন ধ’রেই এমন প’রিস্থিতি চলছে। ধোঁয়ায় ছেয়ে গেছে প্রাদেশিক রাজধানী সুমাত্রার পেকানবারু এলাকা। এর ফলে দিনের বেলাতেও আকাশ অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে প’ড়েছে। ফলে স্থা’নীয় বিভিন্ন স্কুল ব'ন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছে ক’র্তৃপক্ষ।

শহরের প্রায় এক হাজার বাসিন্দা, যাদের অধিকাংশই সাদা মুসলিম পোশাক এবং মুখে মাস্ক পরে শুক্রবারের নামাজে অংশ নেন। সে সময়ও তীব্র কুয়াশার মতো ধোঁয়া ছিল চারদিকে।

৫৭ বছর বয়সী স্থা’নীয় এক বাসিন্দা বলেন, আমি এখানে দোয়ায় অংশ নিয়েছি যেন খুব দ্রুত বৃষ্টি নামে এবং এই ধোঁয়া চলে যায়। তিনি আরও বলেন, গত কয়েক মাস ধ’রেই প’রিস্থিতি খুব খা’রাপ। মুখে মাস্ক না পরলে আমি নিশ্বাঃস নিতে পারি না। আমা’র বেশ কিছু প্রতিবেশী অসু’স্থ হয়ে প’ড়েছেন।

মুসলিম প্রধান দেশ ইন্দোনেশিয়ায় শুক্রবার একটি পবিত্র দিন। সে কারণেই জুমা’র নামাজে'র পর সবাই মিলে বৃষ্টির জন্য দোয়া ক’রেছেন। দেশটিতে বন বা শস্যজমিতে অ’গ্নিকাণ্ডের ঘ’টনা একটি স’মস্যা হিসেবেই দেখা হয়। তবে চলতি বছর শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে প’রিস্থিতি বেশি খা’রাপের দিকে চলে গেছে।

ইন্দোনেশিয়ার দূষিত বাতাসের কারণে প্রতিবেশী মালয়েশিয়াতেও বায়ু দূষিত হচ্ছে। মালয়েশিয়ার বাসিন্দাদের জন্য বাতাস অস্বা’স্থ্যকর হয়ে ওঠায় কৃত্রিম মেঘ তৈরি করে বৃষ্টির ব্যব’স্থা করা হচ্ছে বলে জা’নিয়েছে স্থা’নীয় ক’র্তৃপক্ষ।

শুকনো মৌসুমে ইন্দোনেশিয়ার পাম অয়েলসহ বিভিন্ন শস্যের জমিগুলো পরি’ষ্কারের জন্য আ’গুন লা’গানো হয়। এতে চারদিকে ধোঁয়া ছ’ড়িয়ে প’ড়ে। দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার অনেক দেশেই এমন ঘ’টনা দেখা যায়। এতে বাতাস দূষিত হয়। এর ফলে প্রতিবেশী দেশগুলোর বাতাসও দূষিত হয়ে প’ড়ে।