যেহেতু দেশের অনেক স্থানে ক’রোনাভা'ইরাসে আ’ক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে চলেছে, তাই এসময় শ’রীর কি বলতে চাচ্ছে তা বোঝার চেষ্টা করা গু’রুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে সেসব তুচ্ছ উপস’র্গ স’ম্পর্কেও সচে’তন থাকতে হবে যা ক’রোনাভা'ইরাসে সংক্র’মিত হলে দেখা দিতে পারে। যে উপ’সর্গকে অ’বহেলা করা হয় তা সত্যিই করো'না সংক্র’মণের কারণে প্র’কাশ পেলে কো'ভিড-১৯ টেস্ট ক’রতে দে’রি হবে, এর ফলে শ’রীরে কোনো জ’টিলতা তৈরি হলে সঠিক সময়ে চিকিৎ’সা পেতে ব্য'র্থও হতে পারেন।

উপস’র্গ ছোট হলে যে জ’টিলতা বড় হবে না এমন কোনো গ্যা’রান্টি নেই। করো'না সংক্র’মণে অনেকের মৃ ত্যু হয়েছে হ’ঠাৎ করেই। তাদের মধ্যে উপস’র্গ দেখা দিলেও তা কো'ভিড-১৯ এর নয় ভেবে অবহেলা ক’রেছেন। একসময় মা’রাত্মক জটিলতায় মৃ ত্যুর কোলে ঢলে প’ড়েছেন। তাই করো'না সংক্র’মণে যত উপস’র্গ প্র’কাশ পায় সবগুলো স’ম্পর্কে সত’র্ক থাকতে হবে।

এখন পর্য’ন্ত কো'ভিড-১৯ এর যে উ’পসর্গকে স’বচেয়ে বেশি অ’বহেলা করা হয়েছে তা হলো ক্লা’ন্তি। ইউনিভার্সিটি অব বাফালোর সংক্রা’মক রো’গ বিভাগের প্রধান থমাস রুশো বলেন, ‘অল্প মা’থাব্য’থা করছে। গলা একটু খুশখুশ করছে। একটু ক্লা’ন্তিও লাগছে। আপনি হয়তো এটাকে অ্যা’লার্জি ভাবতে পারেন অথবা মনে ক’রতে পারেন যে হ্যাং’ওভার হয়েছে।’ কয়েকদিনের মধ্যে গ’লার অ’স্বস্তিকর অ’নুভূতি ও মাথাব্য’থা চলে গেলে আপনি চূ’ড়ান্ত ভেবে নিতে পারেন যে যাক বাবা, আমা’র কো'ভিড-১৯ হয়নি। কিন্তু এখনো ক্লা’ন্তির অ’নুভূতি রয়ে গেছে। প্রকৃতপক্ষে, তেতো সত্য হচ্ছে- আপনি স’ম্ভবত ক’রোনাভা'ইরাসে সংক্র’মিত হয়েছেন। তাই এসময় ক্লান্তির অ’নুভূতিকে মোটেই অ’বহেলা করা যাবে না।

ডা. রুশো বলেন, ‘কো'ভিড-১৯ এর উ’পসর্গকে অ’বহেলা করার মূল কারণ হলো অন্যান্য রো’গের স’ঙ্গে এর সা’দৃ’শ্যতা। অ্যা’লার্জি, ফ্লু, অন্যকোনো সংক্র’মণ অথবা অ্যা’লকোহল পানের মতো রি’ক্রিয়েশনাল অ্যা’ক্টিভিটিতে করো'না সংক্র’মণের মতো উপস’র্গ প্র’কাশ পেয়ে থাকে। একারণে অনেকেই অল্প ক্লা’ন্তিকে কো'ভিড-১৯ ভাবতে চান না।’ কিন্তু জু’লাইয়ে প্র’কাশিত আমেরিকার রো’গ নি’য়ন্ত্রণ ও প্র’তিরো’ধ কে’ন্দ্রের (সিডিসি) একটি গ’বেষণা ক্লা’ন্তির ওপর গু’রুত্বারোপ করার কথাই বলছে। গবে’ষণাটিতে দেখা গেছে, ৬৯ শতাংশ কো’ভিড-১৯ রো’গী ক্লা’ন্তিতে ভু’গেন। এই শতাংশ দেখে বুঝতেই পা’রছেন চলমান ম’হামা’রিতে ক্লান্তি কত বেশি প্র’চলিত উপস’র্গ। তাই ক্লান্তি লাগলে অবহেলা করবেন না, ঘরে আ’ইসোলেশনে চলে যান, কো'ভিড-১৯ টেস্ট করে আসুন ও চিকি’ৎসকের প’রামর্শ মেনে চলুন।