এ ঘ’টনায় হাসপাতাল ক’র্তৃপক্ষ পড়েন অথৈ জলে। বাধ্য হয়ে নেতাজিনগর থা’নায় খবর দেন হাসপাতাল ক’র্তৃপক্ষ।

এদিকে রোববার দুজন দা’বিদার হতেই ঘরে কাউকেই ঢু'কতে দেয়নি হাসপাতাল ক’র্তৃপক্ষ। স্বপ্নার কেবিনের সামনে নি’রাপত্তা ক’র্মী বসিয়ে দেওয়া হয়।

নিউটাউনের বাসিন্দা হর্ষ অবশ্য ম্যারেজ সার্টিফিকেটসহ কয়েকটি নথি দেখান। হাতে প্রমাণ পেয়ে পু লিশ ও হাসপাতাল ক’র্তৃপক্ষ যখন একটু স্বস্তি বোধ করছেন তখনই কাহানি অন্য দিকে মোড় নেয়। সদ্যোজাত এই মেয়ে শি’শু তার – এই দা’বি নিয়ে হাসপাতালে হাজির হন প্রদীপ রায় নামে আরও এক ব্য’ক্তি। জটিলতা বাড়ায় আর কোনো ঝুঁ’কি নেয়নি হাসপাতাল ক’র্তৃপক্ষ।

এদিকে ওই শি’শুর বিষয়ে তার মা স্বপ্না এখনো কোনো মন্তব্য করেননি। কিন্তু মেয়ে আ'সলে কার- এর উত্তর খুঁজতে তদ’ন্ত করছে পু লিশ।