আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী আইসক্রিম যেই তাপমাত্রা'য় রাখার কথা ইগলুর ফ্রিজে'র তাপমাত্রা তার চেয়ে অনেক বেশি।যেখানে আইসক্রিমগুলো বের হয় সেই জায়গাটি অত্যন্ত নোংরা ও অস্বা’স্থ্যকর। এ হচ্ছে রাজধানীর শ্যামপুরে অবস্থিত আব্দুল মোনেম লিমিটেডের অ’ঙ্গপ্রতিষ্ঠান ইগলু আইসক্রিমের ফ্যাক্টরির অবস্থা।

অ’ভিযা'ন চালিয়ে ৫ লাখ টাকা জ’রিমানা ক'রেছে । মঙ্গলবার (১৪ মে) দুপুর সাড়ে ১২টায় অ’ভিযা'ন চালায় নি’রাপদ খাদ্য ক’র্তৃপক্ষের ভ্রাম্যমাণ আ'দা'লত।অ’ভিযা'নের নেতৃত্ব দেন নি’রাপদ খাদ্য ক’র্তৃপক্ষের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তুষার আহমেদ।

অ’ভিযা'নে গিয়ে তারা ফ্যাক্টরির বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন। এ সময় দে’খতে পান, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী আইসক্রিম যেই তাপমাত্রা'য় রাখার কথা ইগলুর ফ্রিজে'র তাপমাত্রা তার চেয়ে অনেক বেশি ছিল।

এছাড়া ম্যাজিস্ট্রেট ফ্যাক্টরির ভেতরে বি’চ্ছিন্নভাবে প্যাকেট ভরা গলিত আইসক্রিম প’ড়ে থাকতে দেখেন। অ’ভিযা'নে ইগলুর যেসব ত্রুটি বিচ্যুতি পাওয়া গেছে সেগুলোর বিষয়ে তাদের কাছে ব্যাখ্যা চান ম্যাজিস্ট্রেট। ব্যাখ্যা সন্তোষজনক না হওয়ায় নি’রাপদ খাদ্য আ’ইন-২০১৩ অনুসারে তাদের ৫ লাখ টাকা জ’রিমানা ক'রা হয়।

অ’ভিযা'নের বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তুষার আহমেদ বলেন, আইসক্রিম তৈরির মেশিনের দুইটি দিক থাকে। একদিক থেকে কাঠি ঢুকানো হয়, আরেক দিক থেকে আইসক্রিম তৈরি হয়ে বাইরে বের হয় (এক্সিট পয়েন্ট)। যেখানে আইসক্রিমগুলো বের হয় সেই জায়গাটি অত্যন্ত নোংরা ও অস্বা’স্থ্যকর। এ কারণে নি’রাপদ খাদ্য আ’ইনের ৩৩ ধারা'য় তাদের ৩ লাখ টাকা জ’রিমানা ক'রা হয়। এছাড়া প্রতিষ্ঠানটি পণ্য মোড়কীকরণ ও লেবেলিং রেগুলেশনের শর্ত পুরোপুরি না মানায় আ’ইনের ৩২ (ক) ধারা'য় আরও ২ লাখ টাকায় জ’রিমানা ক'রা হয়।

নি’রাপদ খাদ্য আ’ইনের ৩২ (ক) ধারা'য় উল্লেখ আছে, পণ্য সরকার নির্ধারিত মোড়কীকরণ, চি’হ্নিতকরণ ও লেবেল সংযোজন ছাড়া বিতরণ বা বিক্রি ক'রা যাবে না। এচাড়া ৩৩ ধারা'য় উল্লেখ ক'রা হয়েছে, মানব স্বা’স্থ্যের জন্য ক্ষ’তিকর বিবেচিত প্র'ক্রি'য়ায় খাদ্যদ্রব্য উৎপাদন, বিক্রয় ক'রা যাবে না।