সদ্য প্রয়াত বলিউড অভিনেতা ইরফান খানের শ্বশুরবাড়ি কলকাতায়। অভিনেতা এই শহরে পা রাখলে টের পাওয়া যেত, তিনি বাংলার জামাই। ইরফান বলতেন, ‘বাঙালিরা ঘুরে ফি’রে আমা’র জীবনে চলেই আসেন।’ তবে তার জীবনের সবচেয়ে প্রিয় বাঙালি স্ত্রী সুতপা শিকদার। কিন্তু ইরফানের জীবনে কীভাবে এসেছিলেন তার স্ত্রী?

উইকিপিডিয়াতে প্র’কাশিত দুই তারকা জীবনী থেকে জা’না যায়, সুতপা শিকদারের স’ঙ্গে ইরফানের মন দেয়া- নেয়ার পর্বটি ঘ’টে ন্যাশানাল স্কুল অফ ড্রামায়। স্কলারশিপ নিয়ে এই প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হয়েছিলেন অভিনেতা। প্রথম প্রথম সুতপাকে ওভারস্মা’র্ট মনে হতো ইরফানের। কিন্তু ক্রমশ তাদের মধ্যে ব'ন্ধুত্ব তৈরি হয়।

প্রগতি ময়দানের শকুন্তলম থিয়েটারে দুজনে একস’ঙ্গে সিনেমা দে’খতে যেতেন। সিনেমা দেখার পর হেঁটে ফিরতেন এনএসডি পর্যন্ত। ইরফান লাভ অ্যাট ফার্স্ট সাইটে বিশ্বা’স ক’রতেন না। তার প্রশ্ন ছিল, ‘একটা স’স্পর্ক কোনদিকে এগোচ্ছে, সেটা জানতে চাইলে ম্যাজিকটাই ন’ষ্ট হয়ে যায় না?’

সুতপা একবার একটি সাক্ষাৎকারে জা’নিয়েছিলেন যে, বিয়ে নিয়ে তার কোনও আ’লাদা উচ্ছ্বাস ছিল না। ইরফান খানও মনে ক’রতেন না, স’স্পর্ককে কোনও নাম দিতেই হবে। ১৯৯৫ সালে তারা সাত পাকে বাঁ’ধা প’ড়েন।

ইরফান যখন টেলিভিশনে অভিনয় করে জনপ্রিয়তা অর্জন ক’রতে শুরু করেন, সুতপা তার আগেই বলিউডে রীতিমতো প্রতিষ্ঠিত ‘খামোশি’ ছবির সংলাপ লিখে। পরবর্তীকালে কোনও বাঙালি ইরফানকে যোগাযোগ ক’রতে চাইলে প্রথমে সুতপার স’ঙ্গে যোগাযোগ ক’রতেন। ইরফানের ছবি নির্বাচনের ক্ষেত্রেও সুতপার প’রামর্শ ছিল গু’রুত্ব পূর্ণ।