গ্রীনলাইন বাসের চালক ইচ্ছা করে প্রাইভেটকার চালক রাসেলের ওপর গাড়ি তুলে

দেয়ার পর পা হা'রানো রাসেল। এ ঘ’টনায় ভু'ক্তভো'গী রাসেলকে ক্ষ’তিপূরণের টাকা

কিস্তিতে প'রিশোধ ক’রতে গ্রীনলাইন পরিবহনকে সুযোগ দিয়েছেন আদালত।

আজ মঙ্গলবার এক আদেশে রাসেলকে প্রতিমাসে ৫ লাখ টাকা করে ৪৫ লাখ টাকা প'রিশোধ হাইকোর্ট নির্দে'শ দিয়েছেন।

এসময় বিচারক বলেন, প্রতিমাসের ৭ তারিখ টাকা প'রিশোধ ক’রতে হবে। ১৫ তারিখ

আদালতে প্র’তিবেদন জমা দিতে হবে। এ বিষয়ে পরবর্তী আদেশের তারিখ আগামী ১৬ ‍জুলাই নির্ধারণ ক’রেছেন আদালত।

আদালত বলেন, এত টাকার বাস নামানো হয়েছে আর গ্রীনলাইন পরিবহন রাসেলকে

ক্ষ’তিপূরণের ৪৫ লাখ টাকা দিতে পারেনা। আশ্চর্য!

এছাড়া আরও বলেন, শুরু থেকেই রাসেলের প্রতি গ্রীনলাইনের আচরণ অমানবিক ছিল।

তাদের আচরণ অশোভনীয়। গ্রীনলাইন পরিবহনের আচরণ দেখে মনে হচ্ছে তারা গরিব,

রাসেল ধনী। রাসেল মাফ করে দিলেই তারা বাঁচে! গ্রীনলাইন আদালতের সাথে বেয়াদবি করেছে বলেছে, ম্যানেজারের আচরণও খা’রাপ।

মহাসড়কে গাড়ির গতি নি’য়ন্ত্রণেও এখনো কোন কা’র্যকরি পদক্ষে’প নেই বিআরটিএ’র।

ঢাকা শহরটাকেই এখনো ঠিক ক’রতে পারেনি। খনো ড্রাইভারদের যোগ্যতাই ঠিক ক’রতে

পারছে না। ভুয়া লাইসেন্সের ড্রাইভার, আনফিট গাড়ি দিয়ে রাস্তা সয়লাব।