করো'না ভা'ইরাস থেকে সুর’ক্ষার জন্য প্রথম দিক থেকেই বিশ্ব স্বা’স্থ্য সংস্থা মাস্ক পরিধানের কথা বলে আ’সছে। স্বা’স্থ্যকর এবং কা’র্যকরি মাস্কের ক্ষেত্রে কিছু দিক নির্দে'শনাও দিয়েছে সংস্থাটি। তবে এই মাস্ক নিয়ে শুরু হয়ে নানা তুঘলকি কাণ্ড।

এরই ধারাবাহিকতায় এবার ভারতে দেখা যাচ্ছে নানা অভিজাত মাস্কের ব্যবহার। মাস্কে ব্যবহার করা হচ্ছে স্বর্ণ, ডায়মন্ডসহ নানা বিলাসি পণ্য। কিছুদিন আগে ভারতেই দেখা গেছে একজন সোনার মাস্ক বানিয়ে নিয়েছেন।

এবার রয়টার্সের খবরে বলা হচ্ছে, ভারতের গুজরাটে ডায়মন্ড সিটি হিসেবে খ্যাত সুরাতের জুয়েলারি দোকানগুলোতে সোনা ও ডায়মন্ড খঁচিত মাস্ক বিক্রি হচ্ছে। প্রত্যাশা অনুযায়ী পাওয়া যাচ্ছে ক্রেতাও। এসব মাস্কের দাম মান ভেদে ১ হাজার থেকে ৫ হাজার ডলার পর্যন্ত। যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় সাড়ে ৮ হাজার থেকে ৪২ হাজার টাকা পর্যন্ত।

করো'না ভা'ইরাস থেকে সুরক্ষিত থাকতে প্রতিদিন মাস্ক ব্যবহারের বিকল্প নেই। এটি এখন দৈনন্দিন জীবনের অংশে প’রিণত হয়েছে।

দ্বীপঙ্কর চকসি নামের এক স্বর্ণব্যবসায়ী বলেন, ‘মানুষ সোনা খচিত মাস্ক কিনতে চায়। তাই আম’রা মাস্কের মধ্যে সোনা এবং ডায়মন্ড ব্যবহার করছি। সোনা এবং মা’র্কিন ডায়মন্ড দিয়ে তৈরি মাস্কগুলোর দাম একেকটি এক থেকে দেড় লাখ রূপি। অন্যদিকে খাঁটি সোনা এবং খাঁটি ডায়মন্ড দিয়ে তৈরি মাস্কের দাম পড়ছে প্রায় ৪ লাখ রূপির মতো।’

গুজরাটের অনেকেই সোনা এবং ডায়মন্ডের মাস্ককে আভিজাত্য বলে মনে করেন। তাই এখন এই অঞ্চলে জুয়েলারি পণ্যের চেয়ে স্বর্ণ বা ডায়মন্ডের এসব অভিজাত মাস্ক বেশি ফ্যাশনেবল। তবে এসব মাস্ক কতটুকু স্বা’স্থ্য সম্মত বা বার বার ব্যবহারের ক্ষেত্রে কি নিয়ম মানা হচ্ছে এসব প্রশ্নের উত্তর নেই কারো কাছেই। বিষয়গুলো গু’রুত্ব দিচ্ছেন না ক্রেতা বিক্রেতার।

দেবাংশি রায় নামের এক ক্রেতা বলেন, ‘এমি এখানে খাঁটি ডায়মন্ডের মাস্ক খুঁতে এসেছি। এটি আমা’র কাছে এখন জুয়েলারির চেয়ে বেশি আক’র্ষণীয়। এমনি এই মাস্কগুলো পছন্দ করেছি কারণ এগুলো আমা’র ব্য’ক্তিত্বকে অনেক বেশি আক’র্ষণীয় করে উপস্থাপন করবে। তাই আমি এটি ব্যবহার কারতে চাই কারণ এটি আমা’র অন্যদের থেকে আ’লাদাভাবে উপস্থাপন করবে।

স’ম্প্রতি ভারতের পুনেতে এক ব্য’ক্তি স’ম্পূর্ণ খাঁটি সোনা দিয়ে একটি মাস্ক বানিয়ে গোটা বিশ্ব মিডিয়ার খবর হয়েছেন। দুই লাখ ৮৯ হাজার রুপির ওই মাস্ক তৈরির মতো কাণ্ড ঘ’টিয়েছেন পুনে শহরের মধ্যবয়সী একজন ব্যবসায়ী।