করো'না য় সারাবিশ্ব আজ নিথর হয়ে প’ড়েছে। কাতর এই পৃথিবীতে ভ্যাকসিনের সুখবর আসি আসি করেও আ’সছে না এখনো। অথচ এখনো আ’সছে অসুখের নানা দুঃসং’বাদ। এবার ব্রিটিশ গবেষণায় উঠে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য।

এই জরিপে একটি ভ’য়ঙ্কর ব্যাপার উঠে এলো যে অধিকাংশ মানুষই জানে না তারা ভা'ইরাসটি বহন করছেন এবং অজান্তে তা ছ’ড়িয়ে দিচ্ছেন। স্বা’স্থ্য ও সমাজসেবার স’ঙ্গে জড়িত ক’র্মী রাই বেশি করো'না আক্রা’ন্ত হচ্ছেন বলে জা’না গেছে এই জরিপে।

জরিপে দেখা গেছে ২২ জনের করো'না পজিটিভ এসেছে, যাদের মধ্যে পরীক্ষার দিন পর্যন্ত ভা'ইরাসটি ছিল। আর প্রায় ৭৮ শতাংশের পরীক্ষার দিন পর্যন্ত কোনও উ’পসর্গ ছিল না, কিন্তু ফল এসেছে পজিটিভ।

তথ্যটি এমন সময়ে এলো যখন যুক্তরাজ্যে যে কোনও রো’গে মৃ'ত্যু টানা দ্বিতীয় সপ্তাহে কমে এসেছে। দেশটিতে গত পাঁচ বছরে গড় মৃ'ত্যুর চেয়ে এবছরের মা’র্চের শেষ থেকে জুন পর্যন্ত ৫৯ হাজার জন বেশি মা’রা গেছেন। মঙ্গলবার যুক্তরাজ্যের সরকারি হিসেবে আরও ১৫৫ জনের মৃ'ত্যু হয়েছে করো'না য়, মোট মৃ'ত্যু হয়েছে ৪৪ হাজার ৩৯১ জনের।

তবে পরিসংখ্যান দফতর তাদের জরিপে মাত্র ১২০ জনের নমুনা পরীক্ষা করেছিল। তাই কারা বেশি সংক্র’মিত হচ্ছেন, সেই ব্যাপারে জো’রালো কিছু এখনও বলা যাচ্ছে না। তাদের জরিপ বলছে, যারা স্বা’স্থ্য কিংবা সেবাখাতে রয়েছেন এবং ঘরের বাইরে কাজ করছেন তারা করো'না য় পজিটিভ।

সংখ্যালঘু নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠীদের অ্যান্টিবডি টেস্টের পজিটিভ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি এবং শ্বেতাঙ্গদের কারোনা হওয়ার সম্ভাবনা খুব কম। এছাড়া বড় পরিবারে থাকেন যারা, তাদের করো'না ভাইস পজিটিভ হওয়ার সম্ভাবনা ছোট পরিবারের চেয়েও বেশি থাকে।

এছাড়া এই রিপোর্টে নারীদের চেয়ে পুরষদের মৃ'ত্যুহার বেশি বলে উঠে এসেছে। তবে তারা কীভাবে সংক্র’মিত হচ্ছেন কিংবা সু’স্থ হয়ে উঠছেন তা জা’নানো হয়নি। ইংল্যান্ডে যারা বাসায় থাকছেন তাদের পরীক্ষা করে এই জরিপের ফল প্র’কাশিত হয়েছে। কেয়ার হোম কিংবা অন্য প্রতিষ্ঠানের বসবাসরতদের এই জরিপের অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

উ’পসর্গহীন সংক্র’মণ ের ব্যাপারে বারবার সত’র্ক করেছে বিশ্ব স্বা’স্থ্য সংস্থা। ব্রিটিশ সরকারের বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টারাও একই কথা বলছে। কিন্তু তা কতটা ঝুঁ’কিপূর্ণ সেটা আর বলেননি।

সূত্র: বিবিসি